মোঃ ইব্রাহিম সরকার, লালমনিরহাট প্রতিনিধি :
বাদীর দায়েরকৃত এজাহার হতে জানা যায় যে, বাদী এবং ধৃত আসামি পরস্পর প্রতিবেশী। বাদীর মেয়ে ভিকটিম নবম শ্রেণীর একজন ছাত্রী। গত ২০/০২/২০২৬ ইং তারিখে ধৃত আসামি গোলাপ মিয়া ভিকটিমকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে গোলাপ মিয়ার বসতবাড়ির শোয়ার ঘরে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ভিকটিমের চিৎকারে প্রতিবেশী এবং সাক্ষীরা আসামি গোলাপ মিয়ার বাড়ি থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। তখন কৌশলে আসামি গোলাপ মিয়া ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর গত ২৪/০২/২০২৬ ইং তারিখে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধন ২০০৩) এর ৯ (১) ধারায় আসামি গোলাপ মিয়ার বিরুদ্ধে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-২৮। ঘটনার পর থেকে গ্রেফতার এড়াতে আসামি চতুরতার সাথে আত্মগোপনে ছিলো। ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় এবং ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় আসামি গ্রেফতারের লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে এবং আসামি গ্রেফতারে সচেষ্ট হয়। সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিএসসি, র্যাব-১৩, রংপুর এর একটি আভিযানিক দল ০৯/০৪/২০২৬ তারিখ রাত ০৯.৫০ ঘটিকায় লালমনিরহাট জেলার ০২ নং ওয়ার্ড এর নর্থ বেঙ্গল মোড়স্থ দারুস ইহসান প্রি-ক্যাডেট একাডেমির সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে লালমনিরহাট সদর থানার ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গোলাপ মিয়া কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য আসামিকে লালমনিরহাট সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।