• বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গাজীপুর সাইনবোর্ডে নীল চান খানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও অভিযোগের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন। বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন। অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার গাজীপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬৪ কেজি গাঁজা ও বিদেশি মদ উদ্ধার গাজীপুরে অপহরণ করে টাকা আদায়ের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে অবশেষে শিশু ধর্ষণকারী সাবেক বিজিবি সদস্য আব্দুল মান্নান র‍্যাব এর অভিযানে গ্রেফতার কিশোরগঞ্জে নতুন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের যোগদান : ফুলেল অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনারে বরণ অন্ধকার আর অসহনীয় গরমে ‘মৃত্যুফাঁদ’ কটিয়াদী হাসপাতাল জেনারেটর বিকল, জিম্মি শত শত রোগী হাওরে সোনালী স্বপ্নের সলিল সমাধি : পানির নিচে তলিয়ে কৃষকের হাড়ভাঙা শ্রম, দিশাহারা কৃষক। আত্রাইয়ে এলজিইডির প্রকৌশলীর কাছে তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিক হেনস্তার শিকার

অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

গাজীপুর প্রতিনিধি / / ৫২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

62

গাজীপুর প্রতিনিধি :

গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ, মারধর ও টাকা আদায়ের অভিযোগে অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যাহারকৃতরা হলেন:- কোনাবাড়ী থানার এএসআই আজিজুল হক, কনস্টেবল নাজমুল হোসেন ও মামুন হোসেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. দেলোয়ার হোসেন তার লিখিত অভিযোগে জানান, তিনি চৌরাস্তা এলাকায় একটি প্রেস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে রুবেল ফিলিং স্টেশনের বিপরীত পাশে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থাকা কয়েকজন ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক তুলে নেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, পরে তাকে বাইমাইল হরিণচালা এলাকার কাশেম কটনের পূর্ব পাশে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং তল্লাশির আগে চড় মারা হয়। একপর্যায়ে একটি পলিথিনে থাকা ইয়াবা ট্যাবলেট দেখিয়ে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে নগদ ২৮ হাজার ৪০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় সিএনজিতে থাকা সিফাত নামের আরেক যুবককেও আটক রাখা হয়। তার মোবাইলে অনলাইন জুয়ার অ্যাপ থাকার অভিযোগ তুলে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং তার কাছ থেকেও টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে তিনি তার ভাইয়ের মাধ্যমে দেলোয়ারের মোবাইলে ২ হাজার ৪০০ টাকা পাঠান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে দেলোয়ারকে সিএনজিচালকের মাধ্যমে বাইমাইল মসজিদ মার্কেট এলাকায় নিয়ে গিয়ে তার মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ) অ্যাকাউন্ট থেকে আরও প্রায় ৭ হাজার ২০০ টাকা উত্তোলন করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, টাকা নেওয়ার পর অভিযুক্তরা তার ছবি তুলে রাখে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দেয়। পরে তাকে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি নামিয়ে দেওয়ার সময় মাত্র ৪০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার পর রাত আনুমানিক ২টার দিকে ৮ জন পুলিশ সদস্য তার বাসায় গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করে এবং জোরপূর্বক ৫ হাজার টাকা ফেরত দেয়। পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে দেলোয়ার হোসেন সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আদায়কৃত অর্থ ফেরতের দাবি জানান। ঘটনাস্থলে থাকা সিফাত মোবাইলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও বিস্তারিত বলতে অনীহা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। তবে অভিযুক্ত এএসআই আজিজুল হক তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কোনাবাড়ী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আবু নাসের আল-আমিন বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এএসআই আজিজুল হককে এবং বুধবার সকালে কনস্টেবল নাজমুল হোসেন ও মামুন হোসেনকে প্রত্যাহার করে লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।


More News Of This Category
bdit.com.bd