বিশেষ প্রতিনিধি, জোবায়ের হোসেন ইফতি :
গাজীপুরে হঠাৎ বেড়েছে ছিনতাই। সড়ক-মহাসড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই আতঙ্কে এলাকাবাসী। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেই চলে যায় ছিনতাইকারীদের দখলে। ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে কেউ সর্বস্ব হারাচ্ছে আবার কেউ প্রাণ হারাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ বাস্তবতা স্বীকার করে বলছেন, গত ৫ আগস্টের পর গাজীপুরে অপরাধ প্রবণতা বেড়েছে কয়েকগুণ, বিশেষ করে গাজীপুর মহানগরীর। এর মধ্যে চান্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, ভোগরা, নাওজোর, কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, টঙ্গী স্টেশন রোড ও টঙ্গী উড়াল সড়ক। এসব এলাকায় প্রায় প্রতিদিনই চুরি ছিনতাই, হত্যার মতো বড় ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। গাজীপুর মহানগর পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহানগরী এলাকায় ৮টি থানা রয়েছে। এ সব থানা এলাকায় গত সাত মাসে ৪৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি খুনের মামলা হয়েছে মহানগরের সদর থানায়। গত ১৫ মাসে এ থানায় ১১টি হত্যা মামলা হয়েছে। অথচ ২০২৪ সালে সদর থাকায় হত্যা মালা হয়েছে ৮টি। চলতি বছর কাশিমপুর থানায় ৬ টি, কোনাবাড়ীতে ৭ টি, টঙ্গী পশ্চিম থানায় ৬টি, টঙ্গী পূর্ব থানায় ৮টি, গাছা থানায় ৫টি, পূবাইলে ৪টি ও বাসন থানায় ৫টি। অন্যদিকে ২০২৪ সালের চেয়ে চলতি বছরের ১১ মাসে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা বেড়েছে কয়েকগুণ বেশি।
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার ওসি শাহিন খান বলেন, গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা, বাসন ও ভোগড়া,ও নাওজোর এলাকায় টহল পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। তারপরও পুলিশের স্বল্পতার কারনে অনেকটাই ঘাটতি হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া অপরাধীদের একটি তালিকা করে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।