• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাসনের যাযর এলাকায় চোরাই তেলের ব্যবসার অভিযোগ, মোরসালিনকে ঘিরে নানা প্রশ্ন? কোনাবাড়ী সেটেলমেন্টে দুর্নীতির সাম্রাজ্য : কর্মকর্তা-দালাল ও ক্ষমতাসিল নেতাদের সিন্ডিকেটে জিম্মি সেবাগ্রহীতারা, অনুসন্ধানে গিয়ে বাধা ও ঘুষের প্রস্তাবের মুখে সাংবাদিকরা কিশোরগঞ্জে বিপন্ন হাওরের রুপালি ঐশ্বর্য : হারিয়ে যাচ্ছে দেশি মাছ, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি ভাসান পানির বাসিন্দারা টঙ্গীতে চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা রাতুল সিকদার অমি গাজীপুরে এক বছর পর ধরা পড়ল নাসির পালোয়ান হত্যা মামলার আসামি প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নাগরী ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন জাতের চারা গাছ বিতরন গাজীপুরে ডেকে নিয়ে যুবককে এলোপাতাড়ি মারধরের অভিযোগ, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত গাজীপুরে কয়ের উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন হাফিজুল ইসলাম বুলবুল গাজীপুরে ব্যবসায়ীকে কৃষক দল কর্মীর হুমকির অভিযোগ, কেটে দেওয়া হলো ইন্টারনেটের কেব্‌ল বিয়ের সাজে গাড়িতে কনে, পথ আটকে ছিনতাই! হোসেনপুরে ফিল্মি কায়দায় বরযাত্রীতে হামলা

বাসনের যাযর এলাকায় চোরাই তেলের ব্যবসার অভিযোগ, মোরসালিনকে ঘিরে নানা প্রশ্ন?

বিশেষ প্রতিনিধি / / ১১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

13

জোবায়ের হোসেন ইফতি , বিশেষ প্রতিনিধি :

গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানাধীন যাযর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চোরাই তেলের ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে মোরসালিন নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করা তেল এনে ওই এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এ ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যাযর এলাকার মহাসড়কসংলগ্ন একটি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তেল কেনাবেচার কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন মোরসালিন। অভিযোগ রয়েছে, বৈধ উৎসের পরিবর্তে বিভিন্ন যানবাহন ও অন্যান্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা তেল সেখানে মজুত ও বিক্রি করা হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, দিনের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় গোপনেও তেল কেনাবেচা করা হয়ে থাকে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সব তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয় কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে প্রশাসনের নাম ব্যবহার বা কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তা পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। এদিকে, এলাকায় এ ধরনের তেল কেনাবেচা হয়ে থাকলে তেলের উৎস, ক্রয়-বিক্রয়ের বৈধ কাগজপত্র, মজুতের অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স রয়েছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকায় এ ধরনের ব্যবসা পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ থাকলেও বিষয়টি নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের দাবি রাখে। তাদের মতে, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত বা বিক্রি করা হলে তা শুধু রাজস্ব ক্ষতির কারণ নয়, অগ্নিকাণ্ডসহ জননিরাপত্তার ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।


More News Of This Category
bdit.com.bd