• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কোনাবাড়ীতে ছাত্রদল নেতার সংবাদ সম্মেলন – ক্রয়কৃত জমি দখলে বাধাঁ ও হামলার অভিযোগ। কিশোরগঞ্জে বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত : শোভাযাত্রায় জনতার ঢল। কিশোরগঞ্জে সোনালী ফসলের হাসি : বোরো ধান কাটার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। কিশোরগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর বার্তা : শান্তি বজায় রাখতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান। অন্যের স্বামী, অন্যের স্ত্রী! পড়ে রইল ৫ সন্তান ও দুই পরিবার। নওগাঁয় মাদকসেবি সন্তানের প্রতি অতিষ্ঠ হয়ে বাবা নিজেই তার সন্তানকে প্রশাসনের হাতে তুলে দিলেন লালমনিরহাটে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব থানায় ঢুকে ওসির চেয়ারে বসে পড়লেন এমপি, ভিডিও ভাইরাল লালমনিরহাটের বুড়িমারীতে পাথরের ট্রাকে মিলল পরিত্যক্ত মর্টারসেল আত্রাইয়ে সিগারেট কেনার টাকা না পেয়ে মা ও ছেলেকে পিটিয়ে জখম

নিষিদ্ধ সংগঠন ও ‘ফ্যাসিস্টদের’ প্রচারণা নিয়ে আইনে আসলে কী আছে? এটি নিয়ে বিতর্ক কোথায়

Reporter Name / ৩৭৭ Time View
Update : শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪

54

গণশক্তি ডেস্কঃ

নিষিদ্ধ সংগঠন ও ‘ফ্যাসিস্টদের’ প্রচার প্রচারণা বিষয়ে মিডিয়ার প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টার হুঁশিয়ারি নিয়ে নানান আলোচনা ও বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের বক্তব্যকে গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সাথে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন মানবাধিকার কর্মীদের কেউ কেউ।

সম্প্রতি তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, “যারা মিডিয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন, গণহত্যার আসামি ও ফ্যাসিস্টদের প্রচার প্রচারণা করার সুযোগ করে দিবে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মি. ইসলামের এই ঘোষণা “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সাথে যায় কি না,” সেই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কারণ গত জুলাই-অগাস্ট মাসে ছাত্র-জনতার সম্মিলিত অংশগ্রহণে যে মাসব্যাপী আন্দোলন হয়েছিলো, সেখানের অন্যতম প্রধান দুই দাবি ছিল ‘বাক স্বাধীনতা ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠন’।

কিন্তু তথ্য উপদেষ্টার ফেসবুক পোস্ট থেকে সেই দুই দাবির প্রতিফলন ঘটছে না বলেন মনে করেন বিশ্লেষক ও মানবাধিকার কর্মীদের কেউ কেউ।

এখনও সেই একই ধরনের ঘটনা আমরা প্রত্যাশা করি না। গণতান্ত্রিকভাবে, সুষ্ঠু স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম চলুক, আমরা তা চাই,” বলছিলেন মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন।

একে মিডিয়ার জন্য হুমকি বলে মনে করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক জোবাইদা নাসরীন। “এখানে শুধুমাত্র নিষিদ্ধ সংগঠনের কথা বলা হয়নি। যারা ফ্যাসিস্ট বা গণহত্যার সাথে জড়িতদের কথাও বলা হয়েছে,” বলছিলেন তিনি।

মি. ইসলামের বলা ‘নিষিদ্ধ সংগঠন, গণহত্যার আসামি ও ফ্যাসিস্ট’ সম্বন্ধে আইনে আসলে কী আছে? এ বিষয়ে আইনজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মীরাই বা কী বলছেন?


More News Of This Category
bdit.com.bd