• বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গাজীপুরে সাংবাদিকের উপর হামলা, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন বাসা লুটপাট ভাঙচুর ও চুরির অভিযোগ গাজীপুরে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ (পর্ব১) কালিয়াকৈরে নারী আইনজীবী ও শিশুকন্যাকে মারধর, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ বাসনের যাযর এলাকায় চোরাই তেলের ব্যবসার অভিযোগ, মোরসালিনকে ঘিরে নানা প্রশ্ন? কোনাবাড়ী সেটেলমেন্টে দুর্নীতির সাম্রাজ্য : কর্মকর্তা-দালাল ও ক্ষমতাসিল নেতাদের সিন্ডিকেটে জিম্মি সেবাগ্রহীতারা, অনুসন্ধানে গিয়ে বাধা ও ঘুষের প্রস্তাবের মুখে সাংবাদিকরা কিশোরগঞ্জে বিপন্ন হাওরের রুপালি ঐশ্বর্য : হারিয়ে যাচ্ছে দেশি মাছ, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি ভাসান পানির বাসিন্দারা টঙ্গীতে চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা রাতুল সিকদার অমি গাজীপুরে এক বছর পর ধরা পড়ল নাসির পালোয়ান হত্যা মামলার আসামি প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নাগরী ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন জাতের চারা গাছ বিতরন গাজীপুরে ডেকে নিয়ে যুবককে এলোপাতাড়ি মারধরের অভিযোগ, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত

নিষিদ্ধ সংগঠন ও ‘ফ্যাসিস্টদের’ প্রচারণা নিয়ে আইনে আসলে কী আছে? এটি নিয়ে বিতর্ক কোথায়

Reporter Name / ৪৭৫ Time View
Update : শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪

371

গণশক্তি ডেস্কঃ

নিষিদ্ধ সংগঠন ও ‘ফ্যাসিস্টদের’ প্রচার প্রচারণা বিষয়ে মিডিয়ার প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টার হুঁশিয়ারি নিয়ে নানান আলোচনা ও বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের বক্তব্যকে গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সাথে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন মানবাধিকার কর্মীদের কেউ কেউ।

সম্প্রতি তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, “যারা মিডিয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন, গণহত্যার আসামি ও ফ্যাসিস্টদের প্রচার প্রচারণা করার সুযোগ করে দিবে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মি. ইসলামের এই ঘোষণা “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সাথে যায় কি না,” সেই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কারণ গত জুলাই-অগাস্ট মাসে ছাত্র-জনতার সম্মিলিত অংশগ্রহণে যে মাসব্যাপী আন্দোলন হয়েছিলো, সেখানের অন্যতম প্রধান দুই দাবি ছিল ‘বাক স্বাধীনতা ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠন’।

কিন্তু তথ্য উপদেষ্টার ফেসবুক পোস্ট থেকে সেই দুই দাবির প্রতিফলন ঘটছে না বলেন মনে করেন বিশ্লেষক ও মানবাধিকার কর্মীদের কেউ কেউ।

এখনও সেই একই ধরনের ঘটনা আমরা প্রত্যাশা করি না। গণতান্ত্রিকভাবে, সুষ্ঠু স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম চলুক, আমরা তা চাই,” বলছিলেন মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন।

একে মিডিয়ার জন্য হুমকি বলে মনে করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক জোবাইদা নাসরীন। “এখানে শুধুমাত্র নিষিদ্ধ সংগঠনের কথা বলা হয়নি। যারা ফ্যাসিস্ট বা গণহত্যার সাথে জড়িতদের কথাও বলা হয়েছে,” বলছিলেন তিনি।

মি. ইসলামের বলা ‘নিষিদ্ধ সংগঠন, গণহত্যার আসামি ও ফ্যাসিস্ট’ সম্বন্ধে আইনে আসলে কী আছে? এ বিষয়ে আইনজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মীরাই বা কী বলছেন?


More News Of This Category
bdit.com.bd